৫ বিশ্বকাপে খেলার অবিশ্বাস্য রেকর্ড , রাফায়েল মার্কেজ

অনলাইন ডেস্ক

Collected

ফুটবল ইতিহাসে ৫টি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি আছেই মাত্র দুজনের। সেই বিরল তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছেন রাফায়েল মার্কেজ। ২০০২ সালে প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছিলেন এই মেক্সিকান মিডফিল্ডার। এরপর খেলেছেন ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে। ২০১৮ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ৩৯ বছর বয়সীর জাতীয় দলের হয়ে শেষ অধ্যায়ও।

ক্লাব ফুটবল থেকে এরই মধ্যে অবসর নিয়েছেন। ২২ বছর আগে যে আটলাসে শুরু, গত মাসে নিজ দেশের সেই ক্লাবের জার্সিতে অবসর নিয়েছেন। জাতীয় দল থেকে অবসর নিতে চান এই বিশ্বকাপ খেলে। বার্সেলোনায় সাত বছর খেলে যাওয়া মেক্সিকোর চিরতরুণ এই ফুটবলারের আশাটা জেগে আছে। বিশ্বকাপের জন্য পরশু ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল দিয়েছে মেক্সিকো, যে দলে আছেন মার্কেজও।

শেষ পর্যন্ত যদি চূড়ান্ত দলেও থাকেন, আর রাশিয়ায় কোনো একটি ম্যাচেও মাঠে নামা হয় তাঁর, তাহলেই একটি রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন। জার্মান কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউস ও মেক্সিকোরই গোলকিপার আন্তোনিও কারবাহালের পর ইতিহাসে তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে খেলবেন পাঁচটি বিশ্বকাপে। এই তালিকায় অবশ্য জিয়ানলুইজি বুফনের নামও থাকতে পারত। কিন্তু পাঁচটি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকলেও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে একটা ম্যাচেও মাঠে নামা হয়নি ইতালির কিংবদন্তি গোলকিপারের।

৫ বিশ্বকাপে খেলার কীর্তিটা প্রথম গড়েছিলেন মেক্সিকোরই কেউ। কারবাহাল খেলেছেন ১৯৫০ থেকে টানা ৫ বিশ্বকাপে। আর ম্যাথাউস টানা খেলেছেন ১৯৮২ থেকে ৫ বিশ্বকাপে। ৫ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনার সামনে আছেন ইকার ক্যাসিয়াসও। যদিও ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের এবার দলে থাকার সম্ভাবনা তেমন একটা নেই। ক্যাসিয়াস যদিও অবসর নেননি। অর্থাৎ তাঁর দিক থেকে বার্তাটা আছে। তিনি বিশ্বকাপে যেতে চান। বাকিটা কোচের ওপর। ক্যাসিয়াসও মার্কেজের মতো ২০০২ বিশ্বকাপ থেকে চারটি আসরে খেলেছেন।

তা রেকর্ড ছোঁয়া পরের ব্যাপার, মার্কেজের এত দূর আসাটাই তো অনেক। বয়স ৩৯, গত আগস্টে মাদক পাচারের অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে এনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যে কারণে তিন মাস মাঠের বাইরেও থাকতে হয়েছিল!
এত কিছুর পরও মেক্সিকো কোচ হুয়ান কার্লোস ওসোরিও তাঁকে দলে রেখেছেন। মার্কেজ ছাড়া ডাক পেয়েছেন দুই দস সান্তোস ভাই জিওভানি ও জোনাথন, আছেন হাভিয়ের হার্নান্দেজ, গিলের্মো ওচোয়া, আন্দ্রেস গুয়ার্দাদো, কার্লোস ভেলা, হারভিং লোজানো, হেক্টর হেরেরাসহ চেনা মুখগুলোর সবাই-ই।