উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৯: নরসিংদীর তিন উপজেলায় আ’লীগ ও একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

২৪ মার্চ ২০১৯, ১০:৩৩ পিএম | আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯, ০৫:৪১ এএম


উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৯: নরসিংদীর তিন উপজেলায় আ’লীগ ও একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
নরসিংদীর ছয়টি উপজেলার মধ্যে তৃতীয়ধাপে চারটি উপজেলা পরিষদ রায়পুরা, বেলাব, শিবপুর ও মনোহরদীর নির্বাচন রবিবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তিনটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন, একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন-

বেলাব উপজেলায় নৌকা প্রতিকে ৪৪ হাজার ৫ শত ১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আ’লীগের সমশের জামান ভূঁইয়া রিটন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতিকের আমানুল্লাহ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬২৯ ভোট।
এছাড়া চশমা প্রতিকে ২২ হাজার ৪ শত ৮০ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন শারমীন আক্তার খালেদা প্রজাপতি প্রতিকে ২১ হাজার ২ শত ভোটে।

শিবপুরে নৌকা প্রতিকের হারুন অর রশিদ খান ৫১ হাজার ১ শত ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি (স্বতন্ত্র) আরিফুল ইসলাম মৃধা দোয়াত কলম প্রতিকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯০ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতিকে শরীফ সারোয়ার জুয়েল ২৪ হাজার ৬৮৩ ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাপসী রাবেয়া ফুটবল প্রতিকে ২৬ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

মনোহরদীতে নৌকা প্রতিকে ৩৩ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাইফুল ইসলাম খান বীরু, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি (স্বতন্ত্র) টেলিফোন প্রতিকে হাবিবুর রহমান রঙ্গু পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৫৬ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে এইচ এম ইকবাল আহমেদ তালা প্রতিকে ৩৮ হাজার ৭১৬ ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে আফরোজা সুলতানা প্রজাপতি প্রতিকে ৩৬ হাজার ৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

রায়পুরায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাদেক আনারস প্রতিকে ৬০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ’লীগের মিজানুর রহমান চৌধুরী নৌকা প্রতিকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৩৭ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোমেন মিয়া চশমা প্রতিকে ৪৯ হাজার ৪৬ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহমিনা মানিক হাঁস প্রতিকে ৪৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হলেও চার উপজেলায়ই তুলনামূলকভাবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। চার উপজেলায় মোট ৪১২টি ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ৮ শত ৮০টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ১৮ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট, ১১ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে র‌্যাবের মোবাইল টিম ও পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।