নরসিংদীতে কমে যাচ্ছে আতাফলের ফলন
১৪ মার্চ ২০১৮, ০৬:৫৬ এএম | আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
অনলাইন ডেস্ক
[caption id="attachment_1992" align="alignnone" width="480"]
ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
নরসিংদীর ৩টি উপজেলা রায়পুরা, শিবপুর, বেলাবো অঞ্চলে একসময় ব্যাপক আতা ফলের উৎপাদন ছিলো। কিন্তু একসময়ের এই ব্যাপক উৎপাদনশীল আতা ফলটি বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ফল আতা ফলের চাষ ও তেমন ভাবে করা হয় না বললেই চলে। বিলুপ্তপ্রায় এই ফলটি বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় না। একসময় গ্রামের বসতবাড়ির আঙিনায়, খোলা জায়গায় শুধু আতার বাগান আর বাগান ছিলো। প্রতিদিন এসব গ্রামের উৎপাদিত হাজার হাজার টাকার আতা ফল নরসিংদীর বিভিন্ন বাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রয়ের জন্য সরবরাহ করা হতো। আতা ফলের চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে লাভবান হতো আতা ফল চাষীরা।
আতা ফল চাষীরা নরসিংদী টাইমসকে জানায়, ‘এই ফল গাছটি আমরা বাড়িতে ও বাগানে চাষ করতাম, কিন্তু এখন আতা গাছে আর ফল হয়না সেই কারনে গাছ ও লাগাই না।’
শত শত আতা গাছ ছাড়া এসব গ্রামের কথা কল্পনাই করা যেত না। কিন্তু সেই আতা গাছ আজ আর নেই বললেই চলে। ইটভাটা, শিল্প-কারখানা, বিল্ডিং ও কৃষি জমির উপরে স্থাপনায় যেন হারিয়ে গেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য সু-স্বাদু ফল গাছ আতা। কিন্তু নরসিংদী সদর উপজেলার রায়পুরা, শিবপুর, বেলাবোর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে গেলে এখনও কিছু কিছু বসতবাড়িতে আতা ফল গাছ চোখে পড়ে।
কোনো যত্ন ছাড়াই পরিত্যক্ত জমিতে আতা চাষ করে বছরে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করা যেত। কিন্তু, বৈরী প্রকৃতি ও আবহাওয়ার কারনে এখন আর এসব এলাকায় আতা ফলের চাষ করা যাচ্ছে বলেও জানায়, আতা ফল চাষীরা।
আতা ফল পাইকারী ব্যবসায়ীরা আতা ফলের ব্যবসা বাদ দিয়ে অন্যান্য ফলের ব্যবসায় ঝুকে পড়ছে। সকলের কাছে ফলটি জনপ্রিয় হয়ে উঠায় বাড়ছে বিপুল চাহিদা কিন্তু সে পরিমানে আতা ফলের চাষ হচ্ছে না। বাজারে আতা ফল পাওয়া যাচ্ছে না। আর যদিও পাওয়া যায় তার দাম সাধারন ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার ঊর্দ্ধে। এজন্য হারিয়ে যাওয়া এই ফল চাষের বিস্তৃতি ঘটাতে সরকারের কৃষি বিভাগের পদক্ষেপ কামনা করেছে স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আতা চাষকে পুনরায় আধুনিকায়ন ও গতিশীল করার জন্য কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা প্রয়োজন। শুধু নরসিংদীর রায়পুরা, শিবপুর ও বেলাবো নয় গোটা দেশময় একসময়ের হারিয়ে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফল গাছ আতা চাষের বিস্তৃতি ঘটাতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এমনটিই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
ছবিঃ সংগৃহীত[/caption]
নরসিংদীর ৩টি উপজেলা রায়পুরা, শিবপুর, বেলাবো অঞ্চলে একসময় ব্যাপক আতা ফলের উৎপাদন ছিলো। কিন্তু একসময়ের এই ব্যাপক উৎপাদনশীল আতা ফলটি বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ফল আতা ফলের চাষ ও তেমন ভাবে করা হয় না বললেই চলে। বিলুপ্তপ্রায় এই ফলটি বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় না। একসময় গ্রামের বসতবাড়ির আঙিনায়, খোলা জায়গায় শুধু আতার বাগান আর বাগান ছিলো। প্রতিদিন এসব গ্রামের উৎপাদিত হাজার হাজার টাকার আতা ফল নরসিংদীর বিভিন্ন বাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রয়ের জন্য সরবরাহ করা হতো। আতা ফলের চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে লাভবান হতো আতা ফল চাষীরা।
আতা ফল চাষীরা নরসিংদী টাইমসকে জানায়, ‘এই ফল গাছটি আমরা বাড়িতে ও বাগানে চাষ করতাম, কিন্তু এখন আতা গাছে আর ফল হয়না সেই কারনে গাছ ও লাগাই না।’
শত শত আতা গাছ ছাড়া এসব গ্রামের কথা কল্পনাই করা যেত না। কিন্তু সেই আতা গাছ আজ আর নেই বললেই চলে। ইটভাটা, শিল্প-কারখানা, বিল্ডিং ও কৃষি জমির উপরে স্থাপনায় যেন হারিয়ে গেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য সু-স্বাদু ফল গাছ আতা। কিন্তু নরসিংদী সদর উপজেলার রায়পুরা, শিবপুর, বেলাবোর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে গেলে এখনও কিছু কিছু বসতবাড়িতে আতা ফল গাছ চোখে পড়ে।
কোনো যত্ন ছাড়াই পরিত্যক্ত জমিতে আতা চাষ করে বছরে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করা যেত। কিন্তু, বৈরী প্রকৃতি ও আবহাওয়ার কারনে এখন আর এসব এলাকায় আতা ফলের চাষ করা যাচ্ছে বলেও জানায়, আতা ফল চাষীরা।
আতা ফল পাইকারী ব্যবসায়ীরা আতা ফলের ব্যবসা বাদ দিয়ে অন্যান্য ফলের ব্যবসায় ঝুকে পড়ছে। সকলের কাছে ফলটি জনপ্রিয় হয়ে উঠায় বাড়ছে বিপুল চাহিদা কিন্তু সে পরিমানে আতা ফলের চাষ হচ্ছে না। বাজারে আতা ফল পাওয়া যাচ্ছে না। আর যদিও পাওয়া যায় তার দাম সাধারন ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার ঊর্দ্ধে। এজন্য হারিয়ে যাওয়া এই ফল চাষের বিস্তৃতি ঘটাতে সরকারের কৃষি বিভাগের পদক্ষেপ কামনা করেছে স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আতা চাষকে পুনরায় আধুনিকায়ন ও গতিশীল করার জন্য কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা প্রয়োজন। শুধু নরসিংদীর রায়পুরা, শিবপুর ও বেলাবো নয় গোটা দেশময় একসময়ের হারিয়ে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফল গাছ আতা চাষের বিস্তৃতি ঘটাতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এমনটিই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।বিভাগ : নরসিংদীর খবর
- রায়পুরায় নদীর তীরে মিলল হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ, শরীরে কোপের চিহ্ন
- এইচএসসি’র ফলাফলে এবারও চমক নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের, পাশের হার ৯৯.৯৪%
- প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- গুণগত মানে বিশ্বস্ততার দুই দশক পার করল নদীবাংলা কনস্ট্রাকশন লিঃ
- ঘোড়াদিয়ায় পরিত্যক্ত ঘরে এসআরবি'র অভিযান: অস্ত্র, গুলি, মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার
- প্রতিভা অন্বেষণে মুগ্ধতা ছড়াল বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা
- নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল অফিস শতভাগ ধূমপানমুক্ত ঘোষণা
- রায়পুরায় যাত্রীবাহি বাস হতে ১৪০ রাউন্ড কার্তুজসহ নারী গ্রেপ্তার
- বড় বড় রাখাল যারা, বনে বসে থাকে তারা
- পূজার ছুটি শেষে ফিরে দেখেন বাসায় রাখা ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি
- রায়পুরায় নদীর তীরে মিলল হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ, শরীরে কোপের চিহ্ন
- এইচএসসি’র ফলাফলে এবারও চমক নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের, পাশের হার ৯৯.৯৪%
- প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- গুণগত মানে বিশ্বস্ততার দুই দশক পার করল নদীবাংলা কনস্ট্রাকশন লিঃ
- ঘোড়াদিয়ায় পরিত্যক্ত ঘরে এসআরবি'র অভিযান: অস্ত্র, গুলি, মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার
- প্রতিভা অন্বেষণে মুগ্ধতা ছড়াল বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা
- নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল অফিস শতভাগ ধূমপানমুক্ত ঘোষণা
- রায়পুরায় যাত্রীবাহি বাস হতে ১৪০ রাউন্ড কার্তুজসহ নারী গ্রেপ্তার
- বড় বড় রাখাল যারা, বনে বসে থাকে তারা
- পূজার ছুটি শেষে ফিরে দেখেন বাসায় রাখা ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি
এই বিভাগের আরও