আজ (১২ ডিসেম্বর) নরসিংদী মুক্ত দিবস , স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও অযত্ন অবহেলায় গণকবর
১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৪৭ পিএম | আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ ১২ ডিসেম্বর নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকবাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে নরসিংদী পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। এ দিনে সম্মিলিত মুক্তি বাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের মুখে নরসিংদী শহরসহ গোটা জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ দিনটি নরসিংদীবাসীর কাছে অত্যন্ত গৌরবোজ্জল ও স্মরণীয় দিন। প্রতি বছরই দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
৭১’ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ওই খন্ড যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে শহীদ হন ১১৬ জন বীর সন্তান। এর মধ্যে নরসিংদী সদরের ২৭, মনোহরদীর ১২, পলাশে ১১, শিবপুরের ১৩, রায়পুরায় ৩৭ ও বেলাব উপজেলার ১৬ জন। এছাড়া বহু মা-বোনের নিরব আত্মত্যাগের বিনিময়ে নরসিংদী হানাদার মুক্ত হয়।
রাজনৈতিকভাবে অগ্রসরমান ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলায় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল এক অদম্য শক্তি নিয়ে, স্বপ্রণোদিতভাবে। যুদ্ধ অনভিজ্ঞ তরুণ ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, জনতা প্রতিশোধ স্পৃহায় অটুট মনোবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। মারনাস্ত্রের চেয়ে মনোবলই যে অধিকতর শক্তিশালী পুরো যুদ্ধকালীন সময়ে তার প্রমাণ রেখেছেন নরসিংদীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
১৯৭১’র পাক বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের কথা মনে করে এখনো ভয়ে আতকে উঠেন নরসিংদীবাসী। স্বজন হারানোদের কান্নায় এখনও ভারী হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর নির্মমতার স্বাক্ষী অনেক গণকবর রয়েছে নরসিংদী জেলাজুড়ে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও চরম অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে এসব গণকবর। সংরক্ষণ না করায় অরক্ষিত এসব গণকবরের শেষ চিহ্নটুকু মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদীর এমন কোন স্থান নেই যেখানে ৭১-এ শত্রু সেনাদের নিষ্ঠুর ছোবল পড়েনি। ১৯৭১ সালে নরসিংদী জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক বাহিনীর সদস্যরা। স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকেই নরসিংদী জেলায় প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ৭১’এ বর্তমান জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৭/২৮ জনকে ধরে নিয়ে পাকসেনাদের ক্যাম্প নরসিংদীর টেলিফোন এক্সচেঞ্জে আটক রাখা হতো। নির্যাতন শেষে তাদের নিয়ে যাওয়া হতো বর্তমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচদোনা মোড় সংলগ্ন লোহাপুল এর নীচে। সেখানে ৪/৫ জনকে বসিয়ে রেখে তাদের সামনে ২০/২২ জনকে গুলি করে হত্যা করে পাকবাহিনী। হত্যা শেষে লোহারপুলের নীচে সকলকে একসাথে মাটি চাপা দেয়। আজো স্থানীয় বাসিন্দাদের কানে সেদিনের আর্তচিৎকারের ভেসে শব্দ আসে। বোমা বর্ষণ ও নরসিংদী দখলের পর পাক বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের ফলে বিক্ষুদ্ধ অসহায় জনতা আক্রোশে ফুসতে থাকে। নরসিংদীর নেতৃবৃন্দ, ই.পি.আর, বেঙ্গল রেজিমেন্টের বিদ্রোহী সৈন্য এবং যুবক শ্রেণি দ্রুত নরসিংদী শহর ছেড়ে চলে যায়।
৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ৭১’এর মার্চে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি কোম্পানী হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে নরসিংদীতে ই.পি.আর, আনসার ও পুলিশ বাহিনীর সাথে মিলিত হয়। এতে হাজার হাজার ছাত্র জনতা তাদেরকে স্বাগত জানায়। নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলে শত শত যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে শুরু হয় প্রতিবাদ. প্রতিরোধ ও চোরাগুপ্তা হামলা। স্থল পথে মুক্তিবাহিনীর প্রবল প্রতিরোধে টিকতে না পেরে ৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নরসিংদী পাক হানাদার মুক্ত হয়।
মুক্তিযুদ্ধে নরসিংদী জেলা ছিল ২নং সেক্টরের অধীনে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তৎকালীন মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ। নরসিংদীকে ৩ নং সেক্টরের অধীনে নেয়া হলে কামান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ নূরুজ্জামান।
নরসিংদী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল মোতালিব পাঠান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নরসিংদীর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরব্বোজ্জ¦ল ভূমিকা রয়েছে। সশস্ত্র যুদ্ধে জেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত নারী পুরুষকে নির্বিচারে হত্যা করে গণকবর দিয়েছিলো পাকবাহিনী। গণকবরগুলোর বেশিরভাগই চিিহ্নত করা হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছে।
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নরসিংদীর বধ্যভূমিগুলো অযত্ন অবহেলায় থাকবে না। বর্তমান সরকার এসব সংরক্ষণে খুবই আন্তরিক। এরমধ্যে বেশকিছু সংরক্ষণের বরাদ্ধ হয়েছে, বাকীগুলো মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমান আছে।
আজ ১২ ডিসেম্বর নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকবাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে নরসিংদী পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। এ দিনে সম্মিলিত মুক্তি বাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের মুখে নরসিংদী শহরসহ গোটা জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ দিনটি নরসিংদীবাসীর কাছে অত্যন্ত গৌরবোজ্জল ও স্মরণীয় দিন। প্রতি বছরই দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
৭১’ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ওই খন্ড যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে শহীদ হন ১১৬ জন বীর সন্তান। এর মধ্যে নরসিংদী সদরের ২৭, মনোহরদীর ১২, পলাশে ১১, শিবপুরের ১৩, রায়পুরায় ৩৭ ও বেলাব উপজেলার ১৬ জন। এছাড়া বহু মা-বোনের নিরব আত্মত্যাগের বিনিময়ে নরসিংদী হানাদার মুক্ত হয়।
রাজনৈতিকভাবে অগ্রসরমান ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলায় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল এক অদম্য শক্তি নিয়ে, স্বপ্রণোদিতভাবে। যুদ্ধ অনভিজ্ঞ তরুণ ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, জনতা প্রতিশোধ স্পৃহায় অটুট মনোবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। মারনাস্ত্রের চেয়ে মনোবলই যে অধিকতর শক্তিশালী পুরো যুদ্ধকালীন সময়ে তার প্রমাণ রেখেছেন নরসিংদীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
১৯৭১’র পাক বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের কথা মনে করে এখনো ভয়ে আতকে উঠেন নরসিংদীবাসী। স্বজন হারানোদের কান্নায় এখনও ভারী হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর নির্মমতার স্বাক্ষী অনেক গণকবর রয়েছে নরসিংদী জেলাজুড়ে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও চরম অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে এসব গণকবর। সংরক্ষণ না করায় অরক্ষিত এসব গণকবরের শেষ চিহ্নটুকু মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদীর এমন কোন স্থান নেই যেখানে ৭১-এ শত্রু সেনাদের নিষ্ঠুর ছোবল পড়েনি। ১৯৭১ সালে নরসিংদী জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক বাহিনীর সদস্যরা। স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকেই নরসিংদী জেলায় প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ৭১’এ বর্তমান জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৭/২৮ জনকে ধরে নিয়ে পাকসেনাদের ক্যাম্প নরসিংদীর টেলিফোন এক্সচেঞ্জে আটক রাখা হতো। নির্যাতন শেষে তাদের নিয়ে যাওয়া হতো বর্তমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচদোনা মোড় সংলগ্ন লোহাপুল এর নীচে। সেখানে ৪/৫ জনকে বসিয়ে রেখে তাদের সামনে ২০/২২ জনকে গুলি করে হত্যা করে পাকবাহিনী। হত্যা শেষে লোহারপুলের নীচে সকলকে একসাথে মাটি চাপা দেয়। আজো স্থানীয় বাসিন্দাদের কানে সেদিনের আর্তচিৎকারের ভেসে শব্দ আসে। বোমা বর্ষণ ও নরসিংদী দখলের পর পাক বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের ফলে বিক্ষুদ্ধ অসহায় জনতা আক্রোশে ফুসতে থাকে। নরসিংদীর নেতৃবৃন্দ, ই.পি.আর, বেঙ্গল রেজিমেন্টের বিদ্রোহী সৈন্য এবং যুবক শ্রেণি দ্রুত নরসিংদী শহর ছেড়ে চলে যায়।
৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ৭১’এর মার্চে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি কোম্পানী হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে নরসিংদীতে ই.পি.আর, আনসার ও পুলিশ বাহিনীর সাথে মিলিত হয়। এতে হাজার হাজার ছাত্র জনতা তাদেরকে স্বাগত জানায়। নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলে শত শত যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে শুরু হয় প্রতিবাদ. প্রতিরোধ ও চোরাগুপ্তা হামলা। স্থল পথে মুক্তিবাহিনীর প্রবল প্রতিরোধে টিকতে না পেরে ৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নরসিংদী পাক হানাদার মুক্ত হয়।
মুক্তিযুদ্ধে নরসিংদী জেলা ছিল ২নং সেক্টরের অধীনে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তৎকালীন মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ। নরসিংদীকে ৩ নং সেক্টরের অধীনে নেয়া হলে কামান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ নূরুজ্জামান।
নরসিংদী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল মোতালিব পাঠান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নরসিংদীর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরব্বোজ্জ¦ল ভূমিকা রয়েছে। সশস্ত্র যুদ্ধে জেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত নারী পুরুষকে নির্বিচারে হত্যা করে গণকবর দিয়েছিলো পাকবাহিনী। গণকবরগুলোর বেশিরভাগই চিিহ্নত করা হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছে।
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নরসিংদীর বধ্যভূমিগুলো অযত্ন অবহেলায় থাকবে না। বর্তমান সরকার এসব সংরক্ষণে খুবই আন্তরিক। এরমধ্যে বেশকিছু সংরক্ষণের বরাদ্ধ হয়েছে, বাকীগুলো মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমান আছে।বিভাগ : নরসিংদীর খবর
- শিবপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মুরগির বিষ্ঠার গর্তে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
- শিবপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মুরগির বিষ্ঠার গর্তে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
এই বিভাগের আরও