পলাশে নিখোঁজের পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার

১০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:০০ পিএম | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম


পলাশে নিখোঁজের পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নরসিংদীর পলাশে নিখোঁজের একদিন পর মো. ইসমাইল হোসেন নামে এক ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রাম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. ইসমাইল হোসেন (২৪) নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল করিমপুর ইউনিয়নের বিলপাড় গ্রামের মো. ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে। মো. ইসমাইল মিয়াকে হত্যার পর তাঁর ইজিবাইকটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছে স্বজনরা।

পরিবারের সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে গজারিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রামের পাকা রাস্তা ধরে পথ চলার সময় সড়কের পাশের একটি কলাবাগানে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পলাশ থানা-পুলিশে জানান।

সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ইসমাইল হোসেন ইজিবাইক নিয়ে শহরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় বলে জানান নিহতের স্বজনরা। পরে তার কোন খোঁজ খবর না পেয়ে সদর থানায় গেলে পুলিশ পলাশের দড়িচর এলাকায় একটি মরদেহের খবর জানায় পরিবারকে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি ইসমাইলের বলে সনাক্ত করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর দুপুর দেড়টার দিকে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক জানান, নিহত ওই ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধারের সময় তাঁর মুখ কাপড়ের টুকরা দিয়ে বাধা অবস্থায় ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় তাঁর মাথার বামপাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়াও তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কাপড় দিয়ে মুখ বেধে হত্যার পর মরদেহটি ওই রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্বরা। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।



এই বিভাগের আরও