প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

১৪ জানুয়ারি ২০২০, ০২:৪৩ পিএম | আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২০, ১১:০৫ পিএম


প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সরকারি ঘোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নীতিমালা না মেনে ১৮ হাজার ১৪৭ শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত। নিয়োগ প্রার্থীদের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

গত ২৪ ডিসেম্বর ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে গেজেট জারি করে সরকার। পরে গত রোববার নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থী শামীমা সুলতানাসহ ১৬ জন হাইকোর্টে রিট করেন। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

উত্তীর্ণদের জেলা পর্যায়ে নিয়োগ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাবুল রেজাল্টের তথ্য জানান। পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও (www.dpe.gov.bd) এ ফল পাওয়া যাচ্ছে।

গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পাঁচজন প্রার্থী আবেদন করেন। পরে চার ধাপে পরীক্ষা নেয়া হয়। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন ও চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর গত সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের এ লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। পরে গত ৬ অক্টোবর উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত ৮০ ও মৌখিক পরীক্ষার ২০ নম্বর মিলিয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বর মিলিয়ে এই ফল তৈরি করা হয়।

আইনজীবী মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ষাট শতাংশ মহিলা প্রার্থীদের দ্বারা, বিশ শতাংশ পৌষ্য প্রার্থীদের দ্বারা এবং বাকি বিশ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হইবে।

কিন্তু ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে সেটা অনুসরণ করা হয়নি। তাই ১৬ জন নিয়োগ-প্রার্থী ওই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে রিট করেছেন। আজ আদালত রুল জারি করেছেন।


বিভাগ : বাংলাদেশ


এই বিভাগের আরও