জৌলুস হারাচ্ছে স্টুডিও ফটোগ্রাফি ও ব্যবসা

০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:২০ পিএম | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:০৭ পিএম


জৌলুস হারাচ্ছে স্টুডিও ফটোগ্রাফি ও ব্যবসা

টাইমস ডেস্ক:

নতুন প্রযুক্তির প্রভাবে জৌলুস হারাচ্ছে স্টুডিও ফটোগ্রাফি ব্যবসা। আশি ও নব্বইয়ের দশকে দেশে জমজমাট স্টুডিও কেন্দ্রিক ফটোগ্রাফি চর্চা ও বাণিজ্য, একবিংশ শতাব্দীতে আবেদন হারাতে থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরার কারণে পাল্টাতে থাকে চিরাচরিত আলোকচিত্রের অর্থ ও ব্যবহার।      

বিদেশে পাড়ি দিতে প্রয়োজনীয় ছবি ও বিশেষ মুহূর্ত ধারনের সৌখিন চাহিদার খোরাক মেটাতে আশির দশকে দেশে স্টুডিও ফটোগ্রাফির ব্যবসার প্রসার ঘটে। সেই দশকের মাঝামাঝি সময় রাজধানীর ইস্কাটনে প্রতিষ্ঠিত হয় পদ্মা স্টুডিও। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সব শ্রেনীর মানুষের বিচরণকেন্দ্রে পরিণত হয় স্টুডিওটি।

আঁশির দশকের শুরু থেকে নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত রাজধানী জুড়ে প্রায় পাঁচ হাজার স্টুডিও থাকলেও ছবি ছাপার কালার ল্যাব ছিল হাতে গোনা কয়েকটি। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারনে ভাটা পড়ে সেই জমপেশ স্টুডিও ব্যবসায়। রাজধানীর মত এর প্রভাব পড়েছে সারাদেশেই।

একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে দেশের বাজারে সেমি ডিজিটাল ক্যামেরার প্রবেশ ঘটে। অল্প সময়েই সেই জায়গা দখল করে নেয় আরও আধুনিক প্রযুক্তির ডিজিটাল ক্যামেরা, যা ডিএসএলআর নামে বেশি পরিচিত। আরও পরিবর্তনের হাওয়া লাগে আলোকচিত্র বা ফটোগ্রাফির ধারনায়।

বর্তমানে ফটোগ্রাফি স্টুডিওর চার দেয়ালের মধ্যে পাসপোর্ট বা স্ট্যাম্প সাইজের ছবিতে আটকে নেই। ফটো সাংবাদিকতায়ও পুরোনো ধারণার বিদায় ঘটেছে। ফটোগ্রাফির পরিধি, ধরন ও ধারণার ব্যাপ্তি ঘটেছে। বেড়েছে এবং পাল্টেছে। ব্যক্তি জীবনে ছবির প্রয়োজনে কাজে লাগছে স্মার্ট ফোনও।