ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়াদের তালিকা দুদকে

০৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:১৭ পিএম | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:০৩ এএম


ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়াদের তালিকা দুদকে
পুরনো ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অবৈধ ক্যাসিনোর মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন এমন ২০ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। ইতিমধ্যে ২০ জনের একটি তালিকা দুদকের হাতে এসেছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুদক চেয়ারম্যান এই তথ্য জানান। তবে ওই তালিকায় কাদের নাম আছে সেটা তিনি বলেননি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন এমন অভিযোগে ১৫ থেকে ২০ জনের তালিকা দুদকের হাতে এসেছে। তাদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যদিও ক্যাসিনো সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দুদকের কাজ নয়। শুধু অবৈধ সম্পদ অর্জনের অংশটুকু দুদকের তফসিলভুক্ত।’

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘দুর্নীতি করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে কেউ পার পাবে না। শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধেও আছে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর ক্যাসিনোর মাধ্যমে যারা অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। কমিশনের এক জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পর অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয় দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এরপর সারা দেশে র‌্যাব ও পুলিশ অন্তত ৩৫টি অভিযানে ২৭০ জনকে গ্রেপ্তার করে।

এই অভিযানে ইসমাইল হোসেন সম্রাট, খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক আরমান, জি কে শামীমসহ যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে।

এছাড়া ক্লাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের মতো প্রভাবশালীরাও গ্রেপ্তার হয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্নীতির বৃত্ত ভেঙে দিতেই এই অভিযান। এটা চলমান থাকবে।


বিভাগ : বাংলাদেশ


Regent