বাজেটে পাঁচ প্রণোদনা চায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন

২০ জুন ২০১৯, ০২:৪৬ পিএম | আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৩৫ এএম


বাজেটে পাঁচ প্রণোদনা চায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রস্তাবিত বাজেটে ৫ শতাংশ হারে সুতার উপর মূল্য সংযোজন কর ধার্য্য করা হয়েছে। ২০১৯-২০ বাজেটে তা প্রত্যাহারসহ পাঁচ প্রণোদনা চায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

বুধবার (১৯ জুন) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মলেনে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী খোকন সরকারের কাছে এ দাবি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মেহমুদ, আলমগীর শামসুল আলামিন, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হোসেন মেহমুদ।

প্রণোদনার দাবিগুলো হচ্ছে- সুতাকে মূল্য সংযোজন করের আওতা বর্হিভূত রাখা। বা বর্তমানে সুতার উপর যে পরিমাণে মূল্য সংযোজন কর প্রদান করতে হয়, তা রাখার লক্ষ্যে আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা।

রফতানি মূল্যের উপর উৎসে কর শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা, তৈরি পোশাক রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোশাক খাতকে ৩ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া, প্রস্তাবিত বাজেটে উৎসে কর ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। তা প্রত্যাহার করে, চলতি অর্থবছরের মতই বহাল রাখা।

এ ছাড়াও টেক্সটাইল খাতের মেশিনারীজের আমদানি ব্যয় ও প্রকল্প ব্যয় কমানোর মাধ্যমে পণ্যের মূল্যকে প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে টেক্সটাইল খাতে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য মেশিনারীজ, স্পেয়ার পার্টস ও উপকরণের উপর প্রস্তাবিত বাজেটে ৫ শতাংশ হারে যে এডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি) রাখা হয়েছে। এটা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। 

এডভান্স ট্যাক্স পরে সমন্বয় করা যায় এক প্রশ্নের জবাবে বিটিএমএ প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকার একবার টাকা নিয়ে গেলে সেই টাকা ফিরে আনার সম্ভব হয় না। পাশাপাশি এআইটির ফলে পণ্যের দাম বৃদ্ধি হয়। আমাদের ব্যবসা থাকে না।

তবে বক্তব্যের শুরুতে মোহাম্মাদ আলী খোকন বলেন, উন্নয়নের বাজেটে টেক্সটাইল সেক্টরের জন্য তিন প্রণোদনার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রণোদনা গুলো হচ্ছে-টেক্সটাইল মিলের আয়কর হার ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করে তা ৩ বছরের জন্য বহাল রাখা। তৈরি পোশাক রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোশাক খাতকে ১ শতাংশ হারে প্রণোদনা এবং স্থানীয় ইউভিং ও ডাইং প্রিন্টিং-ফিনিশিং ও ক্যান্ডোরিং উপ- খাতকে ভ্যাটের আওতায় বহির্ভূত রাখা হয়েছে। এটা পোশাক সেক্টরে ইতিবাচক। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।


বিভাগ : অর্থনীতি