তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে: নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে সড়ক পরিবহনে  

২৫ মার্চ ২০১৯, ০৬:২৮ পিএম | আপডেট: ২১ জুলাই ২০১৯, ০১:৫৬ এএম


তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে: নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে সড়ক পরিবহনে   

পাবলিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন এর যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বিআরটিএ) ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন এর যৌথ উদ্দ্যোগে আজ ২৫ মার্চ সোমবার বেলা ১১.৩০মিনিট বিআরটিএর সদর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ মশিয়ার রহমান, তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে সড়ক পরিবহনে । তিনি আরো বলেন এর আগে আগামী দু’মাসের মধ্যে সকল সড়ক পরিবহনে ধূমপান মুক্ত সাইনেজ প্রদর্শনের  নির্দেশ প্রদান করা হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো: সিরাজুল ইসলাম, আরোও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স-এর গ্র্যান্ড’স ম্যানেজার আব্দুস সালাম মিঞাঁ এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের প্রধান ইকবাল মাসুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহকারী পরিচালক ও তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো: মোখলেছুর রহমান।

 

সারা বিশ্বে সমন্বিতভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ ও তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষে ২০০৩ সালে Framework convention on Tobacco control(FCTC) চুক্তি অনুমোদিত হয়। বাংলাদেশ এই চুক্তির স্বাক্ষরকারী দেশ এবং এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন প্রণয়ন করে ও ২০১৩ সালে উক্ত আইনের বিভিন্ন দূর্বল দিক বিবেচনায় নিয়ে তা সংশোধন করে। সংশোধিত আইনে পাবলিক প্লেসে ও পরিবহনে ধূমপানের জরিমানা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০/- টাকা করা হয়েছে। এমনকি পাবলিক প্লেস ও পরিবহনের মালিক/ ম্যানেজারগণ তাদের পাবলিক  প্লেস ও পরিবহনকে ধূমপানমুক্ত রাখতে না পারলে তার জন্য ৫০০/- টাকা জরিমানার এবং ধূমপানমুক্ত সাইনেজ না থাকলে ১০০০/- টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পাবলিক পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত Global adult Tobacco Survey(GATS) 2017 অনুসারে ২ কোটি ৫০ লÿ  (৪৪%) প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ গণপরিবহনে যাতায়াতের সময় পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে আইন সম্পর্কে সচেতনতা কম, তামাকজাত প্যণ্যের ব্যাপক প্রচারনা, তামাকজাত দ্রব্যের সহজলভ্যতা এবং সর্বপরি আইনের সঠিক ও যথাযথ বাস্তবায়ন তুলনামূলক স্বল্প। উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা করেন আগামি ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ধূমপানমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


বিভাগ : জীবনযাপন