বই ও আসন সংকটে নরসিংদী সরকারি গণগ্রন্থাগার

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:০৭ পিএম | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০৩:৫০ পিএম


বই ও আসন সংকটে নরসিংদী সরকারি গণগ্রন্থাগার

শরীফ ইকবাল রাসেল
পাঠক বাড়লেও বই ও আসন সংকটসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা না বাড়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নরসিংদী সরকারি গণগ্রন্থাগারের পাঠকরা। বসার স্থান সংকুলান না হওয়ায় গিঞ্জি পরিবেশে বই পড়ায় আগ্রহ হারাচ্ছেন পাঠকরা। বিরাজমান সংকট নিরসন, ক্যান্টিন ও নামাজের স্থানের ব্যবস্থা করাসহ গ্রন্থাগারটি আধুনিকায়নের দাবী জানিয়েছেন পাঠকরা।


নরসিংদী সরকারি গণগ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ ও নিয়মিত পাঠকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকল শ্রেণিপেশার জ্ঞানপিপাসু পাঠকদের জন্য ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করে নরসিংদী জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারটি। জ্ঞানবিজ্ঞান ও সাহিত্যসহ দেশিবিদেশী লেখকের প্রায় সবধরণের বই, পত্রপত্রিকা ও সাময়িকীর পাঠকদের পদচারনায় মূখর থাকছে গ্রন্থাগারটি। শুরুর কয়েক বছর পাঠক কম হলেও দিনেদিনে পাঠক বাড়তে থাকে এখানে।


জেলা শহরসহ আশেপাশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকুরিপ্রত্যাশীসহ সববয়সী পাঠকের জ্ঞান আহরণের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে গ্রন্থাগারটি। দিনের পর দিন পাঠক সব বয়সী পাঠক বেড়ে চললেও চাহিদা অনুযায়ী বাড়েনি পর্যাপ্ত আসন। বসার স্থান সংকুলান না হওয়ায় গিঞ্জি পরিবেশে বই পড়ায় আগ্রহ হারাচ্ছেন পাঠকরা। অনেককে গ্রন্থাগারের মেঝেতে, বাইরে, বারান্দায় বসে পড়তে হয় বই।
একসঙ্গে ৮০ থেকে ৯০ জন পাঠকের আসন ব্যবস্থা থাকলেও গড়ে প্রতিদিন এখানে জড়ো হন দেড় থেকে দুইশত পাঠক। এরমধ্যে ৪০ থেকে ৫০ জন পাঠক দিনভর অবস্থান করেন এখানে। এছাড়া চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বইয়ের অভাব, ক্যান্টিন ও নামাজের স্থান না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন এখানে আসা পাঠকরা। বই ও আসন সংকটসহ গ্রন্থাগারটিকে আধুনিকায়নের দাবী স্থানীয়দের। বর্তমানে সরকারি এই গণগ্রন্থাগারটিতে দেশি বিদেশী লেখকের বইয়ের সংখ্যা ৩৬ হাজার। পাঠক চাহিদার কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত বই সংগ্রহ ও আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবী পাঠকদের।


পাঠক সংখ্যা বেশি হওয়ায় আসন সংকটের কথা স্বীকার করে গ্রন্থাগারটির লাইব্রেরিয়ান দেবাশীষ ভদ্র জানান, গ্রন্থাগারটি বহুতল ভবনে রূপান্তরিত হলে এসব সংকট দূর হবে। সরকার এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।