পলাশে শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

০৭ জুন ২০২০, ০৫:৪৯ পিএম | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৯:১১ এএম


পলাশে শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

আল-আমিন মিয়া:
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার সমবায় আদর্শ বিদ্যানিকেতন স্কুলের ২য় শ্রেণির ছাত্রী অশ্রু (০৭) খেলতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে তার ডান পাশের পা থেকে কোমড়ের হাড় সরে যায়। এ অবস্থায় হতদরিদ্র বাবার পক্ষে শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে গত এক সপ্তাহ ধরে বিনা চিকিৎসায় প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে ঘরে পড়ে থাকতে হয় শিশু অশ্রুকে।

এ অবস্থায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগাতে সমাজের বিত্তবান-মানবিক মানুষের সাহায্য কামনা করেন শিশুটির বাবা সঞ্জয় দাস। দরিদ্র সঞ্জয় দাস পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছেন। সঞ্জয় দাস পেশায় একজন দিন মজুর।

এ নিয়ে গত ৬ জুন (শনিবার) বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মানবিক সহযোগিতার আবেদন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে বিষয়টি নজরে আসে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহেদ আহমেদের। পরে তিনি শনিবার সন্ধ্যায় শিশু অশ্রুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিতে তার বাড়িতে যান। এসময় শিশু অশ্রুর সকল চিকিৎসার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
রোববার (০৭ জুন) সকালে এ্যাম্বুলেন্সে করে শিশু অশ্রুকে তার বাবা-মায়ের সাথে পাঠানো হয় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। এছাড়াও সমাজের বিত্তবানরা মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে শিশু অশ্রুর পরিবারের কাছে নগদ কিছু অর্থ তুলে দেন।


এ ব্যাপারে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহেদ আহমেদ জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শিশু অশ্রুর জন্য মানবিক আবেদন পোস্ট দেখতে পাই। পরে পলাশ উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে শিশুটিকে দেখতে যাই এবং মানবিকতার টানে তার চিকিৎসার সকল দায়-দায়িত্বভার গ্রহণ করি। আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে শিশু অশ্রুর মঙ্গল কামনা করি। সে যেনো দ্রুত সুস্থ হয়ে স্কুলে যাওয়ার পাশাপাশি তার শৈশব উপভোগ করতে পারে এটাই প্রত্যাশা করি।



এই বিভাগের আরও