বন্ধ থাকা সব পাটকল বেসরকারি খাতে এনে উৎপাদন বাড়ানো হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

২১ জুলাই ২০১৯, ০৬:২২ পিএম | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০২:২১ এএম


বন্ধ থাকা সব পাটকল বেসরকারি খাতে এনে উৎপাদন বাড়ানো হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বন্ধ থাকা দেশের সব পাটকল বেসরকারি খাতে এনে উৎপাদন বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

তিনি বলেছেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন এগিয়ে যাবে। প্রাইভেট সেক্টরে এসব বন্ধ মিল হস্তান্তরের মাধ্যমে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনই নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। 

রোববার (২১ জুলাই) রাজধানীর রেডিসন হোটেলে ওরিয়ন কাদেরিয়া টেক্সটাইল ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান। কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিল পিপিপির আওতায় ওরিয়ন গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করার লক্ষ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ পিপিপি মডেলে সফল একটি দেশ। বিজেএমসি ও বিটিএমসির মতো লোকসানি সেক্টরগুলোকে পিপিপি মডেলের মাধ্যমে উৎপাদনের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রত্যেক বছর বাংলাদেশের বাজেটের আকার বাড়ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরের জন্য শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া, দেশের বেকার সম্যসা দ্রুত দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে শিল্পায়নের মাধ্যমে কমর্সংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির হার বাড়াতে হলে প্রাইভেট সেক্টরকে আরো গতিশীল করতে হবে। সে লক্ষ্যে সারা পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম পিপিপির মাধ্যমে দেশের বন্ধ টেক্সটাইলগুলো চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বন্ধ এসব মিল পুনরায় চালু হলে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কমর্সংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব স্থানে বিটিএমসির ৬৩৬.৩৮ একর জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এই জমিসমূহ পিপিপির মাধ্যমে উৎপাদন খাতে ব্যবহারের ফলে যেমন সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান লাভবান হবে, তেমনই দেশের জিডিপি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতি আরো সুদৃঢ় হবে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে সরকার কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মির্জা আজম এমপি, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব রীনা পারভীনসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বিভাগ : অর্থনীতি