ভালবাসা মানেই জননী
১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:৪৭ এএম | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
ফাহিম ইবনে সারওয়ার
আমার জীবনে তেমন কোন টেনশন নাই, আমার হয়ে টেনশনগুলো করে আম্মু। ছোটবেলা থেকেই এই অবস্থা, বড় হওয়ার কোন সুযোগ নাই। বাসা ছাড়ার পর থেকে আম্মুর টেনশন চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে। ফোনে তখন বিরক্ত হয়ে বলি, এতোই যদি টেনশন করো তাহলে বরিশাল চলে আসি। নিজের বাড়িতে থাকবো আর লেখালেখি করবো। তখন আম্মু কখনো বলে, আসো, চলে আসো। আবার কখনো বলে, বরিশালেই যদি ফিরে আসবা, তাইলে ঢাকা ক্যানো গেছো!
আমার জীবনের যা শিক্ষা (অ্যাকাডেমিকের বাইরে চাল চলণ, হাটাচলা) আম্মুর কাছ থেকে পাওয়া। আব্বু এইসব বিষয় নিয়ে কখনো মাথায় ঘামায় নাই। আম্মু সেই ৮০ এর দশকে ইতিহাসে মাস্টার্স বিএম কলেজ থেকে। এই বিষয়টা ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় ঢুকে গেছে। মেয়েদেরকে অবশ্যই উচ্চশিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষিত মা যে একটা পরিবারে কত দরকার সেটা আমি আমার মাকে দেখে বুঝছি।
আইআর এর মত সাবজেক্টে পড়ে বিসিএস দিলাম না, এইটাই আম্মুর অন্যতম চিন্তার কারণ, কি করবো সামনে সেটাই তার টেনশন। সেই টেনশন হয়তো কয়েক বছর পর কেটে যাবে। তখন অন্য কিছু নিয়ে টেনশন করা শুরু হবে।
চাকরিজীবি মা হওয়ার কারণে আম্মুর দিন শুরু হয় সকাল ৫টা থেকে। রান্নাবান্না করে রেখে তারপর স্কুলের পথে। আবার বাসায় ফিরে রাতের রান্না। আমি যখন প্রথম বাসা ছেড়ে পাকাপাকিভাবে জাহাঙ্গীরনগর চলে যাই তখন আমার যাওয়ার পর আম্মু খুব কেঁদেছিলো। তারপরও যতোবারই বাসা থেকে আসছি ততবারই তার মন খারাপ করা মুখ দেখে নিজের মনটাও যে কতো খারাপ লাগতো, এখনও লাগে।
ঢাকা শহরে ভাল্লাগেনা, মনে হয় চলে যাই বরিশাল। জাহাঙ্গীরনগর শেষ করেই ফিরে যাওয়া উচিত ছিলো। তবুও থাকি, থাকতে হয়। আম্মু ছোটবেলায় অনেক কথা বলতো। এর মধ্যে একটা দামি কথা আমি এখনও মেনে চলি। আম্মু বলতো, 'জীবনে টাকা ইনকাম করবা নিজের কষ্ট কমানোর জন্য, টাকা ইনকাম করলা আবার কষ্টও করলা, তাহলে সেই টাকার কোন ভ্যালু থাকেনা'। আমি বড় হয়ে দেখলাম আসলেই তাই।
পকেটে ১০০ টাকা থাকলে গরমের মধ্যে কষ্ট করে বাসে ওঠার কি দরকার, রিকশা নিলেই তো হয়। তখনই আমার কষ্টের চাকরির কষ্টের টাকাটা হালাল হয়ে যায়।
মা দিবসে মাকে নিয়ে লিখতে হবে, এই ফর্মুলায় আমি বিশ্বাসী না। আবার মা দিবসে মাকে নিয়ে লেখা যাবেনা, এইটাও আমি মানিনা। মাকে নিয়ে সবসময়ই লেখা যায়, লেখা তো আর শেষ হবেনা। এমন দরদী ভবে কেউ হবেনা আমার মা গো...
আমার জীবনে তেমন কোন টেনশন নাই, আমার হয়ে টেনশনগুলো করে আম্মু। ছোটবেলা থেকেই এই অবস্থা, বড় হওয়ার কোন সুযোগ নাই। বাসা ছাড়ার পর থেকে আম্মুর টেনশন চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে। ফোনে তখন বিরক্ত হয়ে বলি, এতোই যদি টেনশন করো তাহলে বরিশাল চলে আসি। নিজের বাড়িতে থাকবো আর লেখালেখি করবো। তখন আম্মু কখনো বলে, আসো, চলে আসো। আবার কখনো বলে, বরিশালেই যদি ফিরে আসবা, তাইলে ঢাকা ক্যানো গেছো!
আমার জীবনের যা শিক্ষা (অ্যাকাডেমিকের বাইরে চাল চলণ, হাটাচলা) আম্মুর কাছ থেকে পাওয়া। আব্বু এইসব বিষয় নিয়ে কখনো মাথায় ঘামায় নাই। আম্মু সেই ৮০ এর দশকে ইতিহাসে মাস্টার্স বিএম কলেজ থেকে। এই বিষয়টা ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় ঢুকে গেছে। মেয়েদেরকে অবশ্যই উচ্চশিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষিত মা যে একটা পরিবারে কত দরকার সেটা আমি আমার মাকে দেখে বুঝছি।
আইআর এর মত সাবজেক্টে পড়ে বিসিএস দিলাম না, এইটাই আম্মুর অন্যতম চিন্তার কারণ, কি করবো সামনে সেটাই তার টেনশন। সেই টেনশন হয়তো কয়েক বছর পর কেটে যাবে। তখন অন্য কিছু নিয়ে টেনশন করা শুরু হবে।
চাকরিজীবি মা হওয়ার কারণে আম্মুর দিন শুরু হয় সকাল ৫টা থেকে। রান্নাবান্না করে রেখে তারপর স্কুলের পথে। আবার বাসায় ফিরে রাতের রান্না। আমি যখন প্রথম বাসা ছেড়ে পাকাপাকিভাবে জাহাঙ্গীরনগর চলে যাই তখন আমার যাওয়ার পর আম্মু খুব কেঁদেছিলো। তারপরও যতোবারই বাসা থেকে আসছি ততবারই তার মন খারাপ করা মুখ দেখে নিজের মনটাও যে কতো খারাপ লাগতো, এখনও লাগে।
ঢাকা শহরে ভাল্লাগেনা, মনে হয় চলে যাই বরিশাল। জাহাঙ্গীরনগর শেষ করেই ফিরে যাওয়া উচিত ছিলো। তবুও থাকি, থাকতে হয়। আম্মু ছোটবেলায় অনেক কথা বলতো। এর মধ্যে একটা দামি কথা আমি এখনও মেনে চলি। আম্মু বলতো, 'জীবনে টাকা ইনকাম করবা নিজের কষ্ট কমানোর জন্য, টাকা ইনকাম করলা আবার কষ্টও করলা, তাহলে সেই টাকার কোন ভ্যালু থাকেনা'। আমি বড় হয়ে দেখলাম আসলেই তাই।
পকেটে ১০০ টাকা থাকলে গরমের মধ্যে কষ্ট করে বাসে ওঠার কি দরকার, রিকশা নিলেই তো হয়। তখনই আমার কষ্টের চাকরির কষ্টের টাকাটা হালাল হয়ে যায়।
মা দিবসে মাকে নিয়ে লিখতে হবে, এই ফর্মুলায় আমি বিশ্বাসী না। আবার মা দিবসে মাকে নিয়ে লেখা যাবেনা, এইটাও আমি মানিনা। মাকে নিয়ে সবসময়ই লেখা যায়, লেখা তো আর শেষ হবেনা। এমন দরদী ভবে কেউ হবেনা আমার মা গো...বিভাগ : নরসিংদীর খবর
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
- মাধবদীতে ৯২ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
- মাধবদীতে স্বর্ণের চেইনের লোভে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তি
- নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নরসিংদী প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
- চরসিন্দুর বাজারের ব্যবসায়ী মনি চক্রবর্তী হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেপ্তার
- পলাশে ভূমিদস্যু যাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ক্যাডেট কলেজের আদলে ৬০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে: খায়রুল কবির খোকন এমপি
- মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার
- শিবপুরে শীতলক্ষায় ডুবে নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শিবপুরে গোসলে নেমে নদীতে ডুবে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ
- নরসিংদীতে ৮ নারী উদ্যোক্তাকে অনুদানের চেক হস্তান্তর
- মাধবদীতে ৯২ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
এই বিভাগের আরও