১০ বছরের নাতনিকে দাদার ধর্ষণচেষ্টা, থানায় অভিযোগ

২৬ মে ২০২৬, ০৯:১১ পিএম | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ এএম


১০ বছরের নাতনিকে দাদার ধর্ষণচেষ্টা, থানায় অভিযোগ
ছবি: Ai

রাকিবুল ইসলাম, নরসিংদী :

১০ বছরের এক নারী শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণচেষ্টা করে তার আপন দাদা। পরে, শিশুর বাবা ও মা প্রতিবাদ করলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দাপটে ওল্টো শিশুর বাবাকে এক মামলায় ফাঁসিয়ে ঘটনার ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলে। 

 

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সবুজ মিয়া ও তার পরিবারের এই অভিযোগ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ও পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, গত ৯ মে তাদের ১০ বছর বয়সের চতুর্থ শ্রেনী পড়ুয়া কন্যাসন্তানকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা করে শিশুটির আপন দাদা বজলুর রহমান (৭০)। পরে, এনিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর পিতার সাথে দাদার বাকবিতন্ডা হয় এবং শিশুর বাবা বাড়িঘর ভাংচুর করে। মূল ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয়দের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি রায়পুরা থানায় শিশুর বাবার বিরুদ্ধে ভাংচুর ও চুরির মামলা করলে গত ১৮ মে শিশুটির বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠালে ২৩ মে ছাড়া পায়। মূল ঘটনা ধামাচাপা দিতেই প্রভাবশালীদের সহায়তায় মিথ্য মামলা করে বলে দাবী ভুক্তভোগীদের। তারপর, জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গত পরশু রায়পুরা থানার অভিযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবার।

 

ভুক্তভোগী শিশুর মা ফাতেমা আক্তার বলেন, আমার মেয়ের সাথে সুযোগ পেলেই বাজে কাজ করার চেষ্টা করত তার আপন দাদা। লোক লজ্জার ভয়ে আমরা এতদিন বাইরে বলিনি। আমরা গরীব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। আমাদের কেউ নাই, নানা ভয়ে আমরা এতদিন এটা নিয়ে কথা বলিনি। এখন আমি বিচার চাই। আমার মেয়েটা স্কুলে যেতে পারে না লজ্জায়। 

 

 শিশুর বাবা মো.সবুজ মিয়া বলেন, আমার বাবা ঢাকায় থাকে সেখান থেকে মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে আসে।এসব নিয়ে কথা বললে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার ভয় দেখায়। আমি দিনমজুর, আমার শক্ত কেউ নাই যে - প্রতিবাদ করবে। 

 

এদিকে অভিযুক্ত দাদা বজলুর রহমান (৭০) গাঢাকা দিয়েছেন। 

 

রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি আমি ইতোমধ্যে অবগত, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গতকাল আমাদের পুলিশের টিম ভুক্তভোগির বাড়ী ও এলাকা পরিদর্শন করেছে। পুলিশ এটা নিয়ে কাজ করছে।



এই বিভাগের আরও